[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
৪ আষাঢ় ১৪৩৩

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জেলের মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পৃথক ঘটনায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

কেন্দুয়ায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন শামসুল হুদা ও আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। তিনি মুড়াই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন।

অপরদিকে আশরাফুল ইসলাম উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের বেদেনার ছেলে। তাকে মরাপুড়ি ডোবা এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ জানান, বজ্রপাতে দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

অপরদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাঘমারা গ্রামের জুড়ি নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের মৃত রফিক মিয়ার ছেলে ছাবির মিয়া (৪০), মৃত জহির মিয়ার ছেলে হামিদ (৪৫) এবং কাবিল (৩৫)।  হামিদ ও কাবিল আপন দুই ভাই। তবে কাবিলের লাশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তার সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বৃষ্টির মধ্যে হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে যান ওই তিন জেলে। এ সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই ছাবির মিয়া ও হামিদের মৃত্যু হয়। কাবিল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, নিহত তিনজনের মধ্যে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তার লাশ উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন তৎপরতা চালাচ্ছেন। উদ্ধার হওয়া দুজনের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সম্পর্কিত খবর


নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু


প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জেলের মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পৃথক ঘটনায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

কেন্দুয়ায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন শামসুল হুদা ও আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। তিনি মুড়াই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন।

অপরদিকে আশরাফুল ইসলাম উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের বেদেনার ছেলে। তাকে মরাপুড়ি ডোবা এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ জানান, বজ্রপাতে দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

অপরদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাঘমারা গ্রামের জুড়ি নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের মৃত রফিক মিয়ার ছেলে ছাবির মিয়া (৪০), মৃত জহির মিয়ার ছেলে হামিদ (৪৫) এবং কাবিল (৩৫)।  হামিদ ও কাবিল আপন দুই ভাই। তবে কাবিলের লাশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তার সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বৃষ্টির মধ্যে হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে যান ওই তিন জেলে। এ সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই ছাবির মিয়া ও হামিদের মৃত্যু হয়। কাবিল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, নিহত তিনজনের মধ্যে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তার লাশ উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন তৎপরতা চালাচ্ছেন। উদ্ধার হওয়া দুজনের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সম্পর্কিত খবর