[email protected] শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জব্দ চালান থেকে উধাও কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য

বেনাপোল বন্দরকে ২ কোটি ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব পরিশোধের নির্দেশ কাস্টমসের

মোঃ রমজান আলী প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬ ২৩:০৬ পিএম

বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি শেডে কাস্টমসের জব্দ করে রাখা প্রায় ছয় কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, জব্দ করা শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনীসামগ্রী সরিয়ে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় পণ্য রেখে দেওয়া হয়েছে। কোরবানি ঈদের ছুটির মধ্যে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় বন্দর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, যশোরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘সাফা ইমপেক্স’ গত ১২ মার্চ ভারত থেকে একটি চালান আমদানি করে। চালানটির ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১২০২৬০০১০০১৬৩৩৩। সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে চালানটি গ্রহণ করে বেনাপোলের মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। পরে পণ্যগুলো বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে রাখা হয়।

আমদানি নথিতে পণ্য হিসেবে বেকিং পাউডারের ঘোষণা দেওয়া হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় ১০৮টি কার্টনে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন প্রসাধনীসামগ্রী পাওয়া যায়। কাস্টমসের হিসাবে, এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ছয় কোটি টাকা। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার শুল্ক ও কর ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চালানটি জব্দ করা হয় এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়। পাশাপাশি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চালানটি খালাস না করার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্সও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ১২ মার্চ, ২ এপ্রিল ও ২০ মে পৃথক তিনটি চিঠির মাধ্যমে চালানটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু ঈদের ছুটির মধ্যে তালাবদ্ধ শেডে রাখা জব্দ পণ্য সরিয়ে ফেলা হয়। পরে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় শাড়ি, থ্রিপিস ও অন্যান্য সামগ্রী রাখা হয়।

অভিযোগের পর শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অনুসন্ধান শুরু করেন। গত ২ জুন বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চালানটি পুনরায় পরীক্ষা করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, জব্দ করা ভারতীয় পণ্যের পরিবর্তে যে পণ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামসংবলিত কার্টনে সংরক্ষিত ছিল। এর মধ্যে বসুন্ধরা ও মেঘনা গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির কার্টনও রয়েছে। এছাড়া দেশীয় সংবাদপত্রে মোড়ানো প্যাকেট এবং বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের স্টিকারযুক্ত পিপি বস্তাও পাওয়া গেছে। এসব আলামত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বিকল্প পণ্যগুলো দেশের অভ্যন্তর থেকেই শেডে নেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দরের প্রতিটি শেডে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, টহল ও সিসিটিভি নজরদারি রয়েছে। ৩৭ নম্বর শেডও সব সময় তালাবদ্ধ থাকে। ফলে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া সেখানে প্রবেশ করে কয়েক কোটি টাকার পণ্য সরিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

ঘটনার পর গত ৩ জুন বন্দর কর্তৃপক্ষকে পাঠানো এক চিঠিতে কাস্টমস জানায়, আইন অনুযায়ী জব্দ পণ্যের সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্ব ওয়্যারহাউজ রক্ষকের। বন্দরের জিম্মায় থাকা অবস্থায় পণ্য সরিয়ে ফেলা ও পরিবর্তনের মাধ্যমে কাস্টমস আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রাজস্বের পুরো অর্থ বন্দর কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করতে হবে।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শেড ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহজালালকে প্রত্যাহার করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপপরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আনিসুর রহমান দাবি করেন, জব্দ হওয়া চালানটির খালাসের জন্য তাঁদের প্রতিষ্ঠান কোনো বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেনি। রাজু নামের এক ব্যক্তি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বিষয়টি কাস্টমসকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

কাস্টমস সূত্র জানায়, ‘সাফা ইমপেক্স’-এর মালিকানা কাগজে-কলমে একজন নারীর নামে থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃতপক্ষে পরিচালনা করেন বেনাপোলের আলোচিত ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন ওরফে বাবু। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়। পরে জব্দ হওয়ার পর সেই পণ্য সরিয়ে প্রমাণ নষ্টেরও চেষ্টা করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

সম্পর্কিত খবর


জব্দ চালান থেকে উধাও কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য

বেনাপোল বন্দরকে ২ কোটি ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব পরিশোধের নির্দেশ কাস্টমসের

মোঃ রমজান আলী

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬ ২৩:০৬ পিএম

বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি শেডে কাস্টমসের জব্দ করে রাখা প্রায় ছয় কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, জব্দ করা শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনীসামগ্রী সরিয়ে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় পণ্য রেখে দেওয়া হয়েছে। কোরবানি ঈদের ছুটির মধ্যে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় বন্দর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, যশোরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘সাফা ইমপেক্স’ গত ১২ মার্চ ভারত থেকে একটি চালান আমদানি করে। চালানটির ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১২০২৬০০১০০১৬৩৩৩। সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে চালানটি গ্রহণ করে বেনাপোলের মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। পরে পণ্যগুলো বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে রাখা হয়।

আমদানি নথিতে পণ্য হিসেবে বেকিং পাউডারের ঘোষণা দেওয়া হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় ১০৮টি কার্টনে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন প্রসাধনীসামগ্রী পাওয়া যায়। কাস্টমসের হিসাবে, এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ছয় কোটি টাকা। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার শুল্ক ও কর ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চালানটি জব্দ করা হয় এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়। পাশাপাশি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চালানটি খালাস না করার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্সও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ১২ মার্চ, ২ এপ্রিল ও ২০ মে পৃথক তিনটি চিঠির মাধ্যমে চালানটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু ঈদের ছুটির মধ্যে তালাবদ্ধ শেডে রাখা জব্দ পণ্য সরিয়ে ফেলা হয়। পরে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় শাড়ি, থ্রিপিস ও অন্যান্য সামগ্রী রাখা হয়।

অভিযোগের পর শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অনুসন্ধান শুরু করেন। গত ২ জুন বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চালানটি পুনরায় পরীক্ষা করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, জব্দ করা ভারতীয় পণ্যের পরিবর্তে যে পণ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামসংবলিত কার্টনে সংরক্ষিত ছিল। এর মধ্যে বসুন্ধরা ও মেঘনা গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির কার্টনও রয়েছে। এছাড়া দেশীয় সংবাদপত্রে মোড়ানো প্যাকেট এবং বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের স্টিকারযুক্ত পিপি বস্তাও পাওয়া গেছে। এসব আলামত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বিকল্প পণ্যগুলো দেশের অভ্যন্তর থেকেই শেডে নেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দরের প্রতিটি শেডে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, টহল ও সিসিটিভি নজরদারি রয়েছে। ৩৭ নম্বর শেডও সব সময় তালাবদ্ধ থাকে। ফলে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া সেখানে প্রবেশ করে কয়েক কোটি টাকার পণ্য সরিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

ঘটনার পর গত ৩ জুন বন্দর কর্তৃপক্ষকে পাঠানো এক চিঠিতে কাস্টমস জানায়, আইন অনুযায়ী জব্দ পণ্যের সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্ব ওয়্যারহাউজ রক্ষকের। বন্দরের জিম্মায় থাকা অবস্থায় পণ্য সরিয়ে ফেলা ও পরিবর্তনের মাধ্যমে কাস্টমস আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রাজস্বের পুরো অর্থ বন্দর কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করতে হবে।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শেড ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহজালালকে প্রত্যাহার করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপপরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আনিসুর রহমান দাবি করেন, জব্দ হওয়া চালানটির খালাসের জন্য তাঁদের প্রতিষ্ঠান কোনো বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেনি। রাজু নামের এক ব্যক্তি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বিষয়টি কাস্টমসকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

কাস্টমস সূত্র জানায়, ‘সাফা ইমপেক্স’-এর মালিকানা কাগজে-কলমে একজন নারীর নামে থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃতপক্ষে পরিচালনা করেন বেনাপোলের আলোচিত ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন ওরফে বাবু। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়। পরে জব্দ হওয়ার পর সেই পণ্য সরিয়ে প্রমাণ নষ্টেরও চেষ্টা করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

সম্পর্কিত খবর