বিপিএলের শিরোপা পদ্মাপাড়ে
এবারের বিপিএলে সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম রয়্যালস পাত্তাই পেলো না রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে। ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে চট্টগ্রাম। তাতে ম্যাচটি ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায়।
ধুঁকতে থাকা চট্টগ্রামের শেষ পর্যন্ত ১০ উইকেট হারাতে স্কোরবোর্ডে যোগ করে ১১১ রান, তখন আরও ১৩ বল বাকি। তাতে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে ফাইনাল ম্যাচ জিতে শিরোপা নিশ্চিত করলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। যা রাজশাহীর দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। এর আগে, রাজশাহী রয়্যালস নামে বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। তানজিদের ঝড় ও সাহিবজাদার ধৈর্য্যশীল ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে আসে ৮৩ রান। ৩০ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফিরেন ফারহান।
আরেক ওপেনার তানজিদ শতক পূর্ণ করেই ১৯তম ওভারের শেষ বলে আউট হন। ততক্ষণে বড় সংগ্রহের দিকে চলে যায় রাজশাহী। তানজিদকে হারিয়ে দলটির স্কোরবোর্ডের হিসাব তখন ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান।
আর এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
পরের ওভারে আরও ১১ রান তুলে রাজশাহী, উইকেট হারায় আরও একটি।
চট্টগ্রামের শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম উভয়ে দুটি করে উইকেটের দেখা পান।
রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৮ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন চট্টগ্রামের দুই ব্যাটার। ১০ বলে ৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। আর ২ বল খেলে রানের খাতায় খুলতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়।
৩৯ রানের মাথায় দলটি হারায় তৃতীয় উইকেট, হাসান নেওয়াজ ৭ বলে ১১ রান করে আউট হন।
চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে নামেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাহিদুজ্জামান। তাকে নিয়ে কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে মির্জা বেগ।
কিন্তু দুইজনেরই ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে ম্যাচটি চট্টগ্রামের হাতের নাগালের বাইরে চলে যায়। তাদের মধ্যে ১৩ বলে ১১ রান করে আউট হন জাহিদুজ্জামান। আর মির্জা বেগ ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন আউট হন।
পরের ব্যাটারদের মধ্যে আসিফ আলী ১৬ বলে ২১ রান করেন। বাকিরা দুই অঙ্ক পেরুতে পারেননি।
