[email protected] সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

জল্পনার অবসান, শুরু হলো বেনাপোল–বাহাদুরপুর সড়কের কার্পেটিং; কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রকৌশলী

মোঃ রমজান আলী প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২৬ ১৬:০৬ পিএম

ছবি: নতুন সময়

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও নানা জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে যশোরের বেনাপোল–বাহাদুরপুর সড়কের কার্পেটিং (পিচ ঢালাই) কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে কাজের উদ্বোধনের পর নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বেনাপোল পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম।

পরিদর্শনকালে তিনি সড়কে ব্যবহৃত পিচের পরিমাণ, স্টোন চিপস (খোয়া) নির্ধারিত মান অনুযায়ী ব্যবহার করা হচ্ছে কি না এবং পিচ ঢালাইয়ের পুরুত্ব প্রকৌশলগত মান বজায় রেখে করা হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নির্মাণসামগ্রীর মানও যাচাই করা হয়।

উপসহকারী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বলেন, নির্মাণকাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারি নির্দেশনা ও প্রকৌশলগত মানদণ্ড অনুসরণ করেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত মান বজায় না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অবশেষে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশা, মানসম্মতভাবে কাজ শেষ হলে সড়কটি দীর্ঘদিন টেকসই থাকবে এবং এলাকার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।

সম্পর্কিত খবর


জল্পনার অবসান, শুরু হলো বেনাপোল–বাহাদুরপুর সড়কের কার্পেটিং; কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রকৌশলী

মোঃ রমজান আলী

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২৬ ১৬:০৬ পিএম

ছবি: নতুন সময়

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও নানা জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে যশোরের বেনাপোল–বাহাদুরপুর সড়কের কার্পেটিং (পিচ ঢালাই) কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে কাজের উদ্বোধনের পর নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বেনাপোল পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম।

পরিদর্শনকালে তিনি সড়কে ব্যবহৃত পিচের পরিমাণ, স্টোন চিপস (খোয়া) নির্ধারিত মান অনুযায়ী ব্যবহার করা হচ্ছে কি না এবং পিচ ঢালাইয়ের পুরুত্ব প্রকৌশলগত মান বজায় রেখে করা হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নির্মাণসামগ্রীর মানও যাচাই করা হয়।

উপসহকারী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বলেন, নির্মাণকাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারি নির্দেশনা ও প্রকৌশলগত মানদণ্ড অনুসরণ করেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত মান বজায় না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অবশেষে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশা, মানসম্মতভাবে কাজ শেষ হলে সড়কটি দীর্ঘদিন টেকসই থাকবে এবং এলাকার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।

সম্পর্কিত খবর