লড়াই করেও হেরে গেল বাংলাদেশ, সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার
দারুণ লড়াই করলো বটে, তবে সিরিজ বাঁচাতে পারলো না টাইগাররা। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিলো অস্ট্রেলিয়া। টানা দুই টি-টোয়েন্টি জিতে আশাহত করলো স্বাগতিকদের।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় রানের সংগ্রহ পায় অজিরা। চট্টগ্রামে শুক্রবার আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান তারা। রান তাড়ায় খুব কাছে গিয়েও ৭ রানে হেরে যায় টাইগাররা।
জিততে হলে বাংলাদেশকে রেকর্ড গড়তে হতো। এতো রান তাড়া করে ঘরের মাঠে আগে কখনো জেতেনি টাইগাররা। পারেনি আজও, তবে চেষ্টার কমতি ছিল না। ছিল ভালো সম্ভাবনা।
১২ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ ৮ ওভারে ৭৫ রান প্রয়োজন তখন টাইগারদের। মাঠে ছিলেন থিতু হয়ে যাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান।
তবে ৪ বলের মাঝে এই দু’জনকে তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে অজিরা। ১২.৪ ওভারে অ্যারন হার্ডি ফেরান ২২ বলে ৩৬ রান করা ইমনকে। পরের ওভারে ৩৩ বলে ৪২ রান নিয়ে আউট হন সাইফ।
এরপর অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় চেষ্টা করেন সমীকরণ মেলানোর। তবে সঙ্গ পাননি। শামিম পাটোয়ারী ৮ বলে ৭ করে ফিরলে আব্দুল গাফফার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করেন।
শেষ ওভারে ২৩ রান প্রয়োজন ছিল জয়ের জন্য। তবে ১৫ রান তুলতে পারেন হৃদয়। শেষ বলে এসে তিনি আউট হয়ে যান ২২ বলে ৩৫ করে। ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
এর আগে জয়ের জন্য ভালো ভিত গড়ে দেন তানজিদ তামিম। ৩.৪ ওভারে ফেরার আগে ৪ চার ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ করে আউট হন তিনি। তবে তিনে নেমে সৌম্য সরকার ৯ বলে ১৫ রানে আউট হন।
এরপর ইমনকে নিয়ে ইনিংস টানেন সাইফ হাসান। তবে তারা ফিরলে পথ হারায় বাংলাদেশ।
অজিরা এতো বড় সংগ্রহ পাবার পেছনে বড় অবদান ম্যাট রেনশর। টি-টোয়েন্টিতে নিজের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন ৫২ বলে ৮৯ রান করে। এছাড়া ২৬ বলে ৪৫ রান করেন টিম ডেভিড।
অবশ্য বড় অবদান আছে বাংলাদেশের ফিল্ডারদেরও। নাহির রানার বলে দুবার জীবন পান রেনশ। একবার নিজের বলে ক্যাচ নিতে পারেননি, আরেকবার ক্যাচ মিস করেন নাসুম।
