কে হবেন ইরাকের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?
কে হবেন ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী? গত বছরের নভেম্বরে সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই এ নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে চলছে দর কষাকষি। সম্প্রতি পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়া রাজনৈতিক জোট কো-অর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্কের ঘোষণা- ইরানপন্থি নুরি আল মালিকিকে আবারও প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এমন খবরে ঘুম হারাম ওয়াশিংটনের। হুমকি আসে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ক্ষমতায় এলে ইরাকের ওপর পড়বে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার খড়গ। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি- নুরিকে প্রধানমন্ত্রী বানানো হলে সহায়তার দরজা বন্ধ হবে বাগদাদের জন্য।
ট্রাম্প বলেন, আমি শুনছি, ইরাক নামের মহান দেশটি নুরি আল-মালিকিকে আবারও প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে খুবই খারাপ একটা সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। সে শেষবার ক্ষমতায় থাকার সময় দেশটি দারিদ্র্য আর চরম বিশৃঙ্খলায় ডুবে গিয়েছিল। সেটা আবার হতে দেয়া উচিত নয়। তার উন্মাদ নীতিমালা ও আদর্শের পরও তিনি আবার নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে আর কোনো ধরনের সহায়তা দেবে না।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরাকের সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য তার।
