ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ই মাঘ ১৪৩২


প্রত্যাবর্তন শেষে তারেক রহমান: আলোচনা, বিতর্ক ও প্রত্যাশার মেলবন্ধন


২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১০:৪৬

সংগৃহীত

দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসন শেষে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ‘টাইম’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে তার আগামীর দর্শন, স্বপ্ন, ছাত্র-জনতার বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বাংলাদেশের পরবর্তী অবস্থান। ‘Exclusive: Bangladesh’s Prodigal Son’— শীর্ষক প্রতিবেদনে তারেক রহমানের দীর্ঘ নির্বাসনের অভিজ্ঞতাও উঠে এসেছে বড় পরিসরে।

 

প্রতিবেদনে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর যখন তারেক রহমান ঢাকায় পৌঁছান, তখন লাখ লাখ সমর্থক তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। এর মাত্র পাঁচ দিন পর তার মা, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু তাকে শোকাহত করলেও, তিনি একে দেশ ও জনগণের প্রতি বড় দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার নিজ বাসভবনে অবস্থান করছেন এবং ১২ ফেব্রুয়ারির আসন্ন নির্বাচনে নিজেকে অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, মা তাকে শিখিয়েছেন দায়িত্ব পালনে কোনো আপস না করতে।

 

সাংবাদিক চার্লি ক্যাম্পবেলের নেয়া এই দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তারেক রহমানকে বেশ পরিমিত এবং অন্তর্মুখী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় লন্ডনের রিচমন্ড পার্কে ঘুরে বেড়ানো বা ইতিহাস বই পড়ে কাটানো এই নেতা এখন অনেক বেশি ‘পলিসি ওঙ্ক’ বা নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে সচেতন। তিনি আগের চেয়ে অনেক ধীরস্থিরভাবে কথা বলেন এবং অন্যের কথা শুনতে পছন্দ করেন।

 

মূলত, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তারেক রহমান এখন আলোচনার তুঙ্গে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি নিজেকে দেখছেন এক সেতুবন্ধন হিসেবে। যিনি একই সাথে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শের উত্তরাধিকারী এবং তরুণ প্রজন্মের বিপ্লবীদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি একগুচ্ছ বাস্তবধর্মী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তারেক রহমান।