[email protected] শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
৫ আষাঢ় ১৪৩৩

স্কুলে সাংস্কৃতিক বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও সংস্কৃতি খাতে ২ শতাংশ বাজেটের দাবি

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য, নাট্যকলা, চারু ও কারুকলা এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয় চালু করে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে মোট বরাদ্দের অন্তত ২ শতাংশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (১৯ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও মিছিল থেকে এসব দাবি জানানো হয়। চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিখিল দাস। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি কবি কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, আবদুল্লাহ আল মামুন তাজু এবং দপ্তর সম্পাদক জসিম উদ্দিন।

বক্তারা বলেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে মাত্র ৮২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট বাজেটের এক শতাংশেরও কম। দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ, সামাজিক সম্প্রীতি ও মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য সংস্কৃতি খাতে অন্তত ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রয়োজন।

তারা বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চার অভাবে তরুণদের একটি অংশ মাদকাসক্তি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। পাশাপাশি সমাজে সহিংসতা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির পেছনেও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সংকট ভূমিকা রাখছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছে। তারা বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা করছে এবং নাচ-গান ও খেলাধুলার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের দাবি, এ ধরনের বিরোধিতার কারণেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়নি।

বক্তারা আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের মানবিক, সৃজনশীল ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টির পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমি, মিলনায়তন ও সাংস্কৃতিক মুক্তমঞ্চ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সম্পর্কিত খবর


স্কুলে সাংস্কৃতিক বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও সংস্কৃতি খাতে ২ শতাংশ বাজেটের দাবি


প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য, নাট্যকলা, চারু ও কারুকলা এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয় চালু করে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে মোট বরাদ্দের অন্তত ২ শতাংশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (১৯ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও মিছিল থেকে এসব দাবি জানানো হয়। চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিখিল দাস। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি কবি কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, আবদুল্লাহ আল মামুন তাজু এবং দপ্তর সম্পাদক জসিম উদ্দিন।

বক্তারা বলেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে মাত্র ৮২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট বাজেটের এক শতাংশেরও কম। দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ, সামাজিক সম্প্রীতি ও মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য সংস্কৃতি খাতে অন্তত ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রয়োজন।

তারা বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চার অভাবে তরুণদের একটি অংশ মাদকাসক্তি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। পাশাপাশি সমাজে সহিংসতা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির পেছনেও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সংকট ভূমিকা রাখছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছে। তারা বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা করছে এবং নাচ-গান ও খেলাধুলার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের দাবি, এ ধরনের বিরোধিতার কারণেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়নি।

বক্তারা আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের মানবিক, সৃজনশীল ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টির পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমি, মিলনায়তন ও সাংস্কৃতিক মুক্তমঞ্চ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সম্পর্কিত খবর