গাড়িতে পাওয়া ১৫ লাখ নির্বাচনি খরচ বললেন বিএনপির এ্যানি চৌধুরী
লক্ষ্মীপুর–৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শহরের ঝুমুর এলাকায় তল্লাশি চৌকিতে এ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ সময় এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও কৃষক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামলসহ তিন জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য এবং লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন অনুসন্ধান টিম সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকালে নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঝুমুর এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসায়। কৃষক দল নেতাসহ তিন জন একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। পরে তাদের জেলা জজ আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আধঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাত ৯টার দিকে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনি ব্যয় হিসেবে আমরা সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবো। ওই খরচের ১৫ লাখ টাকা গাড়িতে ছিল। এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমরা দ্রুত এর জবাব দেবো।’
রাতে একটি ভিডিও বার্তায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমি নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত আছি। শুনতে পেলাম, আমার নির্বাচনি কাজের গাড়ি চেক (তল্লাশি) করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমার নির্বাচনি এজেন্ট সেই গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সেখানে আমার যে ব্যয়, তার মধ্যে ১৫ লাখ টাকা কেন্দ্র ওয়াইজ দেওয়ার জন্য যাচ্ছিল। কর্তৃপক্ষ চেক করেছে। ইতিমধ্যে কোট তাদের রিলিজ (ছেড়ে) করে দিয়েছে। সুতরাং এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’
