ঢাকা শুক্রবার, ১৭ই মে ২০২৪, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আগুনে সব পুড়ে গেলেও অক্ষত রয়েছে পবিত্র কুরআন


৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৩০

ছবি সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু পুড়ে গেলেও অক্ষত রয়েছে পবিত্র কুরআন।  রোববার দিবাগত গভীর রাতে সুন্দরগঞ্জ পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দাদী আছিরণ প্লাজায় ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা হবে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় আল ফুয়াদ রেডিমেড বস্ত্রালয় ও সাদিয়া পুষ্পালয়ের মালিক শফিউল ইসলাম দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যান।পরে গভীর রাতে তিনি জানতে পারেন এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এসময় স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।ফলে ওই প্লাজার অন্যান্য দোকানগুলো রক্ষা পেলেও ফুয়াদ রেডিমেড বস্ত্রালয় ও সাদিয়া পুষ্পালয়ের প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকার রেডিমেড পোষাক,ফ্রিজ,ফুল, ফার্ণিচার,বিভিন্ন খেলনা ও গিফট সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল ভষ্মিভূত হয়ে যায়। তবে দোকানে থাকা পবিত্র কুরআন শরীফ অক্ষত রয়ে গেছে।
এতে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী শফিউল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, "আমি ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ৫ লাখ,অগ্রণী ব্যাংক থেকে ৪ লাখ,গণ উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি ও জমি বিক্রয়ের টাকাসহ প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা বিনিয়োগ করেছি।সব কিছু পূড়ে যাওয়ায় আমি পথে বসেছি। ঋণ পরিশোধ করতে পারবো কি না জানিনা।"
সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের টিম লিডার এটিএম মোস্তফিজুর রহমান বলেন,অগ্নিকাণ্ডের খরব শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দোকানে ফ্রিজ ও অগোছালো বৈদ্যুতিক তার থাকায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত ঘটে। তবে পবিত্র কুরআন শরীফ অক্ষত রয়েছে।