[email protected] শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৬ ২০:০৭ পিএম

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। সেখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৩ লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে ভেসে গিয়ে মিরাজ (৫) ও আশিক (৬) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে। 

জেলার ১৫ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি আছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়া উপজেলায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

সম্পর্কিত খবর


চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি


প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৬ ২০:০৭ পিএম

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। সেখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৩ লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে ভেসে গিয়ে মিরাজ (৫) ও আশিক (৬) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে। 

জেলার ১৫ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি আছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়া উপজেলায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

সম্পর্কিত খবর