[email protected] মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

সদরপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২৬ ২০:০৬ পিএম

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর একটি কাশবন থেকে শাহাদাত হোসেন (৮) নামের এক শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়রা সন্দেহভাজন পাঁচজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার চরনাছিরপুর ইউনিয়নের আড়িয়াল খাঁ নদের তীরবর্তী একটি কাশবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার চরনাছিরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া পুরাতন ঘাট এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে। সে হানিফ হাজীর ডাঙ্গী কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) চন্দ্রপাড়া দরবারসংলগ্ন ট্রলারঘাটে মহররম উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় ঘুরতে গিয়ে শাহাদাত নিখোঁজ হয়।

এরপর পরিবারের সদস্যরা মাইকিংসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

 

সোমবার দুপুরে মেলায় থাকা একটি দোলনার কর্মচারী ইয়াছিন (১৮) ফোন করে নিহত শিশুর বোন রওশনারাকে মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে জানান। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পরিবারের সদস্যরা কাশবনে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। ঘটনার পর থেকেই ইয়াছিন পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা মেলার দোলনার মালিকসহ কয়েকজন কর্মচারীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তারা হলেন—শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার দেলোয়ার বেপারী, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রিয়াজ, মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার তামিম মোল্যা, ঝিনাইদহের হাটগোপালপুর এলাকার জিহাদ মাহমুদ এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শাকিল ইসলাম।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউন দীপু এবং সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

সম্পর্কিত খবর


সদরপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫


প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২৬ ২০:০৬ পিএম

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর একটি কাশবন থেকে শাহাদাত হোসেন (৮) নামের এক শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়রা সন্দেহভাজন পাঁচজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার চরনাছিরপুর ইউনিয়নের আড়িয়াল খাঁ নদের তীরবর্তী একটি কাশবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার চরনাছিরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া পুরাতন ঘাট এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে। সে হানিফ হাজীর ডাঙ্গী কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) চন্দ্রপাড়া দরবারসংলগ্ন ট্রলারঘাটে মহররম উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় ঘুরতে গিয়ে শাহাদাত নিখোঁজ হয়।

এরপর পরিবারের সদস্যরা মাইকিংসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

 

সোমবার দুপুরে মেলায় থাকা একটি দোলনার কর্মচারী ইয়াছিন (১৮) ফোন করে নিহত শিশুর বোন রওশনারাকে মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে জানান। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পরিবারের সদস্যরা কাশবনে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। ঘটনার পর থেকেই ইয়াছিন পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা মেলার দোলনার মালিকসহ কয়েকজন কর্মচারীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তারা হলেন—শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার দেলোয়ার বেপারী, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রিয়াজ, মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার তামিম মোল্যা, ঝিনাইদহের হাটগোপালপুর এলাকার জিহাদ মাহমুদ এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শাকিল ইসলাম।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউন দীপু এবং সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

সম্পর্কিত খবর