[email protected] শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সরকার জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ: চরমোনাই পীর

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৭ পিএম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনগণ যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। ভালো নেতা ও নীতির সমন্বয় না হলে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক দূর করতে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।

 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কালো বর্ণের মানুষের নাম ‘সাদা মিয়া’ রাখলে যেমন সে সাদা হয়ে যায় না, তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে অনৈতিকতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ও ধোঁকাবাজি করলেই তা ইসলাম হয়ে যায় না। বরং ইসলামের নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে ইসলামেরই কলঙ্ক হয়।

 

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঢাকা উত্তর যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।  

 

বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, এ দেশে চাঁদাবাজি নির্মূল করা যাবে না। এটা দুঃখজনক। তাহলে সরকারকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। যদি তাতেই তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারের কাজটা কী?  

তিনি বলেন, এই সরকার বলেছিল এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে কর্মসংস্থান সংকোচন করছে।  

সম্পর্কিত খবর


সরকার জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ: চরমোনাই পীর

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৭ পিএম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনগণ যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। ভালো নেতা ও নীতির সমন্বয় না হলে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক দূর করতে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।

 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কালো বর্ণের মানুষের নাম ‘সাদা মিয়া’ রাখলে যেমন সে সাদা হয়ে যায় না, তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে অনৈতিকতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ও ধোঁকাবাজি করলেই তা ইসলাম হয়ে যায় না। বরং ইসলামের নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে ইসলামেরই কলঙ্ক হয়।

 

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঢাকা উত্তর যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।  

 

বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, এ দেশে চাঁদাবাজি নির্মূল করা যাবে না। এটা দুঃখজনক। তাহলে সরকারকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। যদি তাতেই তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারের কাজটা কী?  

তিনি বলেন, এই সরকার বলেছিল এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে কর্মসংস্থান সংকোচন করছে।  

সম্পর্কিত খবর