ঢাকা শনিবার, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩রা ফাল্গুন ১৪৩২


জয়পুরহাটের ২টি সংসদীয় আসনে জামানত হারালেন ৪ প্রার্থী


১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৮

সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের ২টি সংসদীয় আসনের ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবি পার্টি, বাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে ৩ জন, জয়পুরহাট-২ আসনে একজন প্রার্থী রয়েছেন। আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মোট ৮ জন প্রার্থী। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা এসব জানাগেছে।

 

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া বেসরকারিভাবে প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৬টি। এরমধ্যে কাঁচি প্রতীকে ৬১৭টি ভোট পেয়ে জামানত হারান বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী) দলের প্রার্থী বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের অর্থ সম্পাদক তৌফিকা দেওয়ান ওরফে লিজা। মই প্রতীকে ৫৭৮ ভোট পেয়ে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ দলের প্রার্থী অধ্যক্ষ ওয়াজেদ পারভেজ এবং ঘোড়া প্রতীকে ১৩ হাজার ২৮৬ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার ওরফে শিখা জামানত হারান।

 

আসনটিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৯ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। 

 

অপরদিকে, জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০ টি। এরমধ্যে ঈগল প্রতীকে ১ হাজার ৫৫৫টি ভোট পেয়ে জামানত হারান আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) দলের প্রার্থী এস, এ, জাহিদ। 

 

আসনটিতে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট পেয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল বারী। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

 

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।