যমুনার আশপাশে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ব্যবহার করা হয়নি— পুলিশের দাবি
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় কোনো জমায়াতে ছত্রভঙ্গ করতে আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে পুলিশ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকা সত্বেও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। এর একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এই ঘটনা ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন মর্মে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং এতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি।
উক্ত ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন বিক্ষোভকারীও সামান্য আহত হয় বলে উল্লেখ করা হয়।
এ নিয়ে কোনো প্রকার অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হলো।
প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের অধীন শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আজ। এ সময় পুলিশকে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এছাড়া, নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী আন্দোলনকারীদের ওপর জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের সরিয়ে দেয় পুলিশ।
