অর্থনৈতিক পররাষ্ট্রনীতিতে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একইসাথে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। দীর্ঘ ২০ বছর রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি এবার ঢাকার মসনদ ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে চালিয়ে যাচ্ছে জোর প্রচারণা। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দলটি। দিচ্ছে নানা প্রতিশ্রুতিও। দলের চেয়ারম্যান সম্প্রতি কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সাময়িকী দ্য ডিপ্লোম্যাট-এর সঙ্গে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনীতি, পররাষ্ট্র বিষয়ক নানা ইস্যুতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। ক্ষমতায় এলে অর্থনৈতিক পররাষ্ট্রনীতিতে জোর দেবে বিএনপি— এমন বার্তাও দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ‘অ্যান ইন্টারভিউ উইথ তারেক রহমান-লাইকলি বাংলাদেশ’স নেক্সট প্রাইম মিনিস্টার’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। এতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে। পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে বিএনপির জয় ও সরকার গঠনে। দেশের জনগণের সমর্থনেও দলটি ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় সেখানে। এর আগে, ব্লুমবার্গ, টাইম ও দ্য ইকোনমিস্টসহ বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমগুলো তারেক রহমানকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
দ্য ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিসেম্বরে পরিচালিত একটি জনমত জরিপে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতি সমর্থন প্রায় ৭০ শতাংশ, আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ১৯ শতাংশ। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসালটিং পরিচালিত আরেকটি জরিপে দেখা যায়, ৪৭ শতাংশের বেশি মানুষ এখন তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন, ২২ দশমিক ৫ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীর প্রধান ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সিরাজগঞ্জে একটি নির্বাচনী সমাবেশ শেষে টাঙ্গাইলে আরেকটি সমাবেশে যোগ দিতে বাসে যাওয়ার পথে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন দ্য ডিপ্লোম্যাট এর প্রতিনিধি। বিএনপির চেয়ারম্যান এ সময় অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাব দেন।
সাময়িকীটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘জেন জেড’ হিসেবে পরিচিত তরুণ ভোটাররা ভোটের ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্তমূলক ভূমিকা রাখবে। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের একটি বড় অংশ জেন জেড। বাংলাদেশের তরুণরাই এবার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করবে।
