'হ্যাঁ' ভোট দেয়া মানে সংস্কারের পক্ষে, 'না' ভোট দেয়া মানে পুরনো কাঠামোর পক্ষে
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, 'হ্যাঁ' ভোট দেয়া মানে সংস্কারের পক্ষে, আর 'না' ভোট দেয়া মানে পুরনো কাঠামোর পক্ষে; যে কাঠামোতে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিল।
শনিবার (১৭ জানুয়ারী) রংপুর মহানগরীর আরডিআরএস মিলনায়তনে দিনভর 'গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা, সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার' বিষয়ক বিভাগীয় সংলাপে এই মন্তব্য করেন তিনি। রংপুর জেলা ও মহানগর সুজন এই সংলাপের আয়োজন করে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ঐক্যমত কমিশনে উত্তাপিত ৮৪টি বিষয়ের মধ্যে ৩৬টি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি হবে। বাকি ৪৮টিতে গণভোট হবে। এই ৪৮টিকে চারটি ভাগে ভাগ করা হলেও মূলত গণভোটের প্রশ্ন একটি। সেটা হলো 'হ্যাঁ' অথবা 'না'। পক্ষে না বিপক্ষে। 'হ্যাঁ' অথবা 'না' ভোট দেবেন। 'হ্যাঁ' ভোট দেয়া মানে আপনি সংস্কারের পক্ষে। আর 'না' ভোট দেয়া মানে যে অবস্থা বিরাজ করছে সেটার পক্ষে। শেখ হাসিনা ট্যাংকে চড়ে ক্ষমতায় আসে নাই। শেখ হাসিনা উর্দি পরেও ক্ষমতায় আসে নাই। শেখ হাসিনা এসে সংবিধান বাতিলও করে দেয় নাই। যদিও সংবিধান আমূল পরিবর্তন করেছিল। পুর্নলিখন করেছে। শেখ হাসিনা সেই স্বৈরাচারী কাঠামো ব্যবহার করেই দানবে পরিণত হয়েছেন। এই স্বৈরাচারী কাঠামো অব্যাহত থাকলে পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় আসবেন, তাদেরও স্বৈরাচারী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কার করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ। সে কারণে তারা 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারে। এটা শুধু সরকারের মতামতে নয়, তারা বিশেষজ্ঞ মতামতও নিয়েছেন।
শুধু সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলেই হবে না উল্লেখ করে সুজন সম্পাদক বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। আমরা জুলাই বিপ্লবের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। তাদের ঋণ পরিশোধের জন্য সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়মুক্তির অভিযাত্রা।
