[email protected] শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
৫ আষাঢ় ১৪৩৩

জুরাইনে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, বন্ধুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা বলছে পুলিশ

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬ ১৩:০৬ পিএম

রাজধানীর জুরাইনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আবদুল কুদ্দুস (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির মা ও পুলিশ জানায়, বন্ধুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে। স্থানীয় একজন বলছেন, মাদক বেচাকেনা নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে আবদুল কুদ্দুসকে হত্যা করা হতে পারে।

গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে জুরাইনের নবারুণ গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুদ্দুসকে উদ্ধার করে রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন

কুদ্দুসের মা রানু বেগম আজ শুক্রবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, রাতে নবারুণ গলির একটি চায়ের দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন কুদ্দুস। এ সময় এলাকার কয়েকজন যুবক অতর্কিতভাবে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। হামলাকারীরা আগে কুদ্দুসের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। এক সপ্তাহ আগে তাঁদের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়েছিল। তবে তিনি তাঁদের নাম জানেন না।

কুদ্দুস সপরিবার যে বাসায় ভাড়া থাকতেন ওই বাড়ির মালিক কামাল শিকদার বলেন, সপ্তাহখানেক আগে স্থানীয় মনির ও ফিরোজের সঙ্গে কুদ্দুসের তর্কবিতর্ক হয়েছিল। তাঁরা মাদক বেচাকেনা করতেন। স্থানীয় এক মুদির দোকানির মাধ্যমে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বন্ধুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ রয়েছে

কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আবদুল কুদ্দুসের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচরে। তাঁর দুই মেয়ে। তিনি সবজি বিক্রি করতেন।

সম্পর্কিত খবর


জুরাইনে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, বন্ধুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা বলছে পুলিশ


প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬ ১৩:০৬ পিএম

রাজধানীর জুরাইনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আবদুল কুদ্দুস (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির মা ও পুলিশ জানায়, বন্ধুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে। স্থানীয় একজন বলছেন, মাদক বেচাকেনা নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে আবদুল কুদ্দুসকে হত্যা করা হতে পারে।

গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে জুরাইনের নবারুণ গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় কুদ্দুসকে উদ্ধার করে রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন

কুদ্দুসের মা রানু বেগম আজ শুক্রবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, রাতে নবারুণ গলির একটি চায়ের দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন কুদ্দুস। এ সময় এলাকার কয়েকজন যুবক অতর্কিতভাবে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। হামলাকারীরা আগে কুদ্দুসের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। এক সপ্তাহ আগে তাঁদের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়েছিল। তবে তিনি তাঁদের নাম জানেন না।

কুদ্দুস সপরিবার যে বাসায় ভাড়া থাকতেন ওই বাড়ির মালিক কামাল শিকদার বলেন, সপ্তাহখানেক আগে স্থানীয় মনির ও ফিরোজের সঙ্গে কুদ্দুসের তর্কবিতর্ক হয়েছিল। তাঁরা মাদক বেচাকেনা করতেন। স্থানীয় এক মুদির দোকানির মাধ্যমে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বন্ধুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ রয়েছে

কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আবদুল কুদ্দুসের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচরে। তাঁর দুই মেয়ে। তিনি সবজি বিক্রি করতেন।

সম্পর্কিত খবর