ঢাকা শনিবার, ৭ই ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬


সাফ শেষ বাংলাদেশের, মাঠে বোতল বৃষ্টি!


৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৭:১৬

আপডেট:
৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৭:৩৪

জয়ের কোন দরকার নাই বাংলাদেশের। ড্র করলেই যাবে সেমিতে। তাহলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই উঠে যাবে সেমিফাইনালে। তবে হারলেই বিদায় নিতে হবে লাল সবুজের জার্সিকে। দিনের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে পাকিস্তানের ৩-০ গোলে জয়ের পরই এই সমীকরণ দাঁড়িয়ে যায় বাংলাদেশের সামনে।

এমন সমীকরণ মাথায় নিয়েই খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচে ভুটান এবং পাকিস্তানকে হারানোর কারণে দারুণ উজ্জীবিত ছিল বাংলাদেশ দল। শুরু থেকেই তপু বর্মণরা আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে কাঁপন ধরিয়ে দেয় নেপালের রক্ষণভাগে।

কিন্তু ম্যাচের ৩৩ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সুনীল বালকে ফাউল করেন ওয়ালি ফয়সাল। রেফারি ফ্রি কিক দেন। আর সেই ফ্রি কিক নেন নেপালের ১০ নম্বার জার্সিধারী বিমল ঘারতি মাগার। তার নেওয়া কিক ফিস্ট করবেন নাকি ধরে ফেলবেন এমন দোটানার মধ্যে বলটি ঠিকমতো ধরতে পারেননি গোলকিপার।

বল চলে যায় তার গন্তব্যে। এর পর কয়েকটি আক্রমন করলেও কোন গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। যার করণে প্রথমার্ধ ১-০ তে পিয়েছে থেকে মাঠ থেকে উঠে যায় বাংলাদেশ। তারপর বিরতি থেকে ফিরে আবারো আক্রমণে করতে থাকে নেপালকে। একের পর এক শট করতে থাকে নেপালের গোলপোষ্টে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায়নি টিম-বাংলাদেশ

কিন্তু ম্যাচের ৭৫ মিনিটের পর থেকে গ্যালারি থেকে মাঠের দিকে বোতল ছুরতে দেখা যায় হাতের বোতল যেমন চললো, তেমন চললো দর্শকদের মুখও। ভুয়া-ভুয়া বলে দুয়োধ্বনি। দর্শকরে বিরক্তি ও হতাশর মধ্যেও পূর্ব গ্যালারিতে বিশাল লাল-সবুজ পতাকা ধরে রেখেছিল একদল সমর্থক। কেবল দোলানোটাই বন্ধ হয়েছিল তাদের।

শেষ পর্যন্ত নেপালের বিপক্ষে ২-০ গোলের হারের যন্ত্রণা নিয়ে মাঠ ছাড়লেন জামাল-মামুনুলরা। আর এই হারে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকেই বিদায় নিল বাংলাদেশ।

এসএ