প্রধান শিক্ষক বলেন, হামলায় তাঁর কানে আঘাত লাগে এবং চিকিৎসা নিতে হয়। পরে ২২ জুন আক্কেলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রোয়াইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমানকে জুতাপেটা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ১৫ জুন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী অভিভাবক সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন। নির্বাচন শেষে স্থানীয় রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হারুনুর রশিদ নির্বাচিত সদস্যদের তালিকা পরিবর্তন করে তাঁর পছন্দের ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২১ জুন দুপুর আড়াইটার দিকে হারুনুর রশিদ, স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহনেওয়াজ ও আতিয়ার রহমান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মীর মো. আতিকুজ্জামান মুন বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, হামলায় তাঁর কানে আঘাত লাগে এবং চিকিৎসা নিতে হয়। পরে ২২ জুন আক্কেলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করেন, ঘটনার পর সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইমরান হোসেন তাঁকে বান্দরবানে বদলির ভয় দেখিয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই কর্মকর্তা।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ বলেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে কয়েকজন অভিভাবকের আপত্তি ছিল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম।
স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহনেওয়াজ ও আতিয়ার রহমানও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁদের দাবি, পরিস্থিতি শান্ত করতেই তাঁরা বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। প্রধান শিক্ষক স্থানীয় যুবলীগের এক নেতাকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চেষ্টা করছিলেন, তাঁরা শুধু এর বিরোধিতা করেছেন।
ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক তাঁকে মারধরের বিষয়টি জানিয়েছেন এবং তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। তবে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় এ মুহূর্তে আলাদাভাবে কিছু করার সুযোগ নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর-রহমান বলেন, অভিযোগের একটি অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
প্রকাশিত:
২৬ জুন ২০২৬ ১৯:০৬ পিএম
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রোয়াইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমানকে জুতাপেটা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ১৫ জুন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী অভিভাবক সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন। নির্বাচন শেষে স্থানীয় রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হারুনুর রশিদ নির্বাচিত সদস্যদের তালিকা পরিবর্তন করে তাঁর পছন্দের ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২১ জুন দুপুর আড়াইটার দিকে হারুনুর রশিদ, স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহনেওয়াজ ও আতিয়ার রহমান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মীর মো. আতিকুজ্জামান মুন বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, হামলায় তাঁর কানে আঘাত লাগে এবং চিকিৎসা নিতে হয়। পরে ২২ জুন আক্কেলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করেন, ঘটনার পর সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইমরান হোসেন তাঁকে বান্দরবানে বদলির ভয় দেখিয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই কর্মকর্তা।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ বলেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে কয়েকজন অভিভাবকের আপত্তি ছিল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম।
স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহনেওয়াজ ও আতিয়ার রহমানও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁদের দাবি, পরিস্থিতি শান্ত করতেই তাঁরা বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। প্রধান শিক্ষক স্থানীয় যুবলীগের এক নেতাকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চেষ্টা করছিলেন, তাঁরা শুধু এর বিরোধিতা করেছেন।
ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক তাঁকে মারধরের বিষয়টি জানিয়েছেন এবং তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। তবে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় এ মুহূর্তে আলাদাভাবে কিছু করার সুযোগ নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর-রহমান বলেন, অভিযোগের একটি অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।