ঢাকা সোমবার, ১৭ই জুন ২০১৯, ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৬

হাইব্রিডের অত্যাচারে ত্যাগী আ.লীগের ফেসবুকে ক্ষোভ


১১ জুন ২০১৯ ১২:৩০

আপডেট:
১২ জুন ২০১৯ ১৬:৩১

নতুনসময় ছবি

বৃহত্ততম সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, একটানা তৃতীয়বারসহ ৪ বার ক্ষমতায় রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ হাইব্রিডদের নানা অত্যাচার ইতিমধ্যেই ত্যাগীরা আওয়ামী লীগের ওপর শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে এ নিয়ে নানা মন্তব্য পোস্ট হচ্ছে।২০০১,২০০৪ এর নির্যাতনের কথা উল্লেখ্য করে ফেসবুকে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলছেন ত্যাগীরা।

এদিকে, কেউ বা দলের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহানুভুতি এবং হস্তক্ষেপও কামনা করছেন।এছাড়াও জামায়াত বিএনপির ক্ষমতার সময়ে নির্যাতিত বেশিরভাগই নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে জেলহাজতে রয়েছেন।দলীয় কর্মীদের রোষানলেও জিম্মি হয়ে বিভিন্ন জেলা সাবেক বর্ষিয়ান নেতারা কারাভোগ করেছে। এসকল নির্যাতিত নেতারা দলের আজ সু-সময়েও তাদের পাশে দাড়াঁনোর মতো কাউকে খুজে পাচ্ছেনা।বর্তমানে দলের কিছু নেতারা স্বার্থ হাসিলের জন্য ত্যাগীদের দৌড়ের উপরে রেখেছেন।বঞ্চিতও করেছেন পদ-পদবী থেকে।

সেই নির্যাতিত কর্মীরা আজ সরাসরি ফেসবুকের মাধ্যমে অসহায়ের বাণী প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌছে দিতে চাচ্ছেন। আবার দেখাযায় এই স্টাট্যাস কাল শত্রুও দাড়াঁয় অনেক নেতাদের জন্য।অনেক নেতাকর্মীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কেউ আজও জেলহাজতে রয়েছেন। তাকিয়ে আছেন দলের প্রধানসহ হাইকমান্ডের দিকে, হয়তো হাইকমান্ডকে দলের বড় নেতারা ভুল বুজিয়ে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন। কিন্তু জেলা উপজেলার সেই অসহায় নেতাদের খোজ-খবর নেয়ার মতো মানুষ পায়নি বঞ্চিতরা।

হয়তো প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ পেলে একটু হলেও স্তস্বি পেতো দলের দুঃসময়ের নেতাকর্মীরা ।সেই কতঅই ফেসবুক স্টাট্যাসে লিখেছেন একজন আ.লীগের সক্রিয়কর্মী শিমুলী জাহান শিমু তুলে ধরা হলো---

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আজ আমি অনেক দিন পরে,কিছু কথা বলতে চাই তাও আমার নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে, না বললে-নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা ঈদ মাত্র চলে গেলো, বলাটাও ঠিক না তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ক্ষমতায় থাকা কালিনেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ভাইয়েরা বিএনপির নেতাদের হাতে মাইর খাচ্ছে, তবে আপনি একটুখানি কিছু জেলা/ উপজেলা কিছু থানার খোজ খবর নিয়ে দেখুন আজ তারা কেমন আছে, আর কাদের কারণে বিএনপির লোক এই সাহস পাচ্ছে সেঠাও একটু তদন্ত করে দেখুন। তার পরে,যা বলার আপনি বলবেন, একটি বিষয় জানতে পারলাম আমি একটি বিষয় উদাহরন দিয়ে- লেখা লিখির মাধ্যমে লেখে যাবো, যেমন আমি আওয়ামী লীগ করি আর আমার জাত গুষ্টি বিএনপি করে,এবং আমি আওয়ামী লীগে ক্ষমতায় আছি বলে, আমার জাত গুষ্টি মানুষের উপরে অন্যায় অবিচার করে,সেরে যাবে,সেঠা হবেনা এবং আমার দলীয় ভাই বোনদের উপরে,শএুমী মিঠিয়ে যাবে, সেঠাতো ঠিক হবেনা, কারণ আমার জাত গুষ্টিকে,সেই পাওয়ারটা দেওয়া ঠিক হবেনা,আমি মনে,করিতে,,হবে,আমার দলীয় ভাই বোন আমার কাছে আকাশের চাঁদ কারণ ভেবে,নিতে, হবে,আমাকে,চেয়ারে বসইলো কে,আমার মনে রাখতে,হবে,,আমাকে তো বিএনপির লোক ভোট দেয় নাই। আমার মনে করিতে হবে গুষ্টি গেতি আমার ভাই বোন, না আমার ভাই বোন আওয়ামী লীগের দলীয় যারা আছে, তাড়া ভাই বোন যদিও আমার রক্তের সম্পর্ক নাও হয় ধরে,নিতে হবে তাড়া আমার আপন জন, মাথার গাম পায়ে,ফেলে টেয়গাল দিয়ে,একজন এমপি মুন্রী চেয়ারে বসোতে,হয়, সেই এমপি, মুন্রী সাহেবরা যদীও পাশে,না থাখে,তখন কিন্তুুক বিশ্বাল বড় দুঃখ লাগার কথা, আজ আমার এই কথা বলতে হলো শুধু কিছু দলের ভাই বোনের রক্ত দেখে,খুবই কষ্ট লেগেছে এই যোগে যা দেখি সবই উল্টো , তবে,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতা ময়ী মা একটু খেয়াল করুন আওয়ামী লীগের দলীয় ভাইয়েরা কষ্ট পেয়ে বলে,যাচ্চে, দলের জন্য মামলা খেয়ে এবং মাইর খেয়ে দল ক্ষমতায় আনা হচ্ছে আর এখনো দল ক্ষমতায় তাকার পরেও মাইর খেয়ে যাচ্চি,এবং ,কোথায় আমাদের সরকার, কে করিবে,আমাদে,বিচার কোথায় প্রশাসন কোথায় আমাদের, দলীয় এমপি মুন্রী সাহেবরা কেউতো আমাদের পাশে,নাই তবে এই কথাও যানা গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতা ময়ী মা আপনি যে বলছেন অন্যায় যেই করিবে,কোনো ছাড় নাই সেই কথা মনে রেখে চলতে,গিয়ে,আওয়ামী লীগের দলীয় ভাই বোন মাইর খাচ্ছে এবং কিছু দলীয় এমপি মুন্রী সাহেবরা গেইমে পরে,আছে,তো আমি বলতে,চাই দলীয় ভাই বোন এমপি মুন্রী সাহেবরা ক্ষতি হইলে ভবিষ্যতে আপনাদের হবে,কিছু লোক জন আপনাদের বুকের মাঝে জাগা করে,নিচ্চে পরে বুঝতে পারবেন, এখন না হয় ছোটো মাপের নেতারা মাইর খাবে,যখনই আপনাদের, মাঠে,এমন কিছু হবে তখনই মনে পরে,যাবে ছোটো মাপের নেতাদের,সেই দিনের, কথা তখন আপনার পাশে তো মাইর খাওয়া,নেতা ভাইয়েরা যাবেনা,এবং এঠাকে,বলা হয় রাতের পরে দিন দিনের পরে,রাত আসবে আবার সেই দিন, তো আমি বলতে,চাই এই ভাব মর্তি নষ্ট না করে,এখনো সময় আছে, একতা সৃরিংখলা বজাইয়া এক হয়ে মাঠে ঘাঠে,চলা ফেরা করুন, ভাঙতে লাগে,এক মিনিট গর্তে লাগে হাজারো দিন,মনের ময়লা শেষ করে,ধুইয়ে মুছে,এক হয়ে যান আমি ছোটো মানুষ বলছি ভবিষ্যতে ভালো হবে,কোন থানাতে আমি নাম বলতাম তবে বলবনা আপনারা চাইলে, আমি, শেয়ার করিবো তবে আমি শেয়ার করি মাএ ১২৩৪৫ মিনিটের জন্য পরে আমি কেটে দেই না হলে ডাইরেক উল্লেখ করে,আমি রাম দোলাই দিয়ে কথা বলতাম, বলার, পরে,কে আমাকে,জেলে দিবে,কে আমাকে মারবে,সেই বয় আমি পাইনা আসল কথা হলো আমি, এই জেলার লোকজনকে নিয়ে,মাথা গামাইতে চাইনা, কারণ সবাই না চিনলেও নেএী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতা ময়ী মা চিনতে ভুল করবেনা,কোন জেলাতে বিএনপির গাডি আছে,জন নেএী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঠিকি ভালো করে,যানে,এমন একটা জেলা আছে, কে বিএনপি কে আওয়ামী লীগ বুঝতে কষ্ট হবে,সেই জন্য আমি এই জেলার মাঠিতে পাও রাখিনা,এবং কোনো প্রয়োজন হলে ৩ ৪ ঘন্টা আমি রাস্তায় থাখি পরবর্তী এক ঘন্টা আমি সময় কাটাই আমার গরীব দুঃখী মানুষের সাথে, আমার পাগলেরা সরণ করে তাই আমার যাইতে হয় তাদের কারণে আমার এক দিন সন্মান ছিলো,সেই দিন আমি ভুলতে পারিনা, তবে,কি আর বলবো, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ভালো বরিবেশ ঘরে তুলুন সুন্দর নিজের জীবন ঘরে তুলুন সুন্দর প্রজন্মের কথা ভেবে ভবিষ্যত বানি তৈরী করে রেখে যান আবারও বলি জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’

নতুনসময়/আল-এম