ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই ২০২৪, ২রা শ্রাবণ ১৪৩১


হরতালে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী


১৯ নভেম্বর ২০২৩ ০৮:৪৩

ছবি সংগৃহীত

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর  আজ রবিবার থেকে শুরু হওয়া দুদিনের হরতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে । বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা রাজনৈতিক দল সরকারের পদত্যাগ ও তফশিল প্রত্যাখ্যান করে এ হরতাল আহ্বান করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বিরোধীদের দুদিনের এ হরতালকে কেন্দ্র করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে মাঠে থাকবেন। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছেন তারা। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা মাঠে থাকবেন।


এদিকে চলমান রাজনৈতিক সংকটে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কৌশলী অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব। রবি ও সোমবারের হরতালে টহল অভিযানের পাশাপাশি ছদ্মবেশেও রাজপথে অবস্থান করবেন বাহিনীর সদস্যরা।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় যত রকম ব্যবস্থা আছে আমরা তা নিশ্চিত করব। বাস, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আমরা যাত্রীবেশেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবস্থান নেব। এর আগেও আমরা এভাবে ছদ্মবেশে অবস্থান নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান, সাদা পোশাকে ও যাত্রীবেশে গণপরিবহণে অবস্থানের র‌্যাবের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। হামলা হতে পারে এমন স্থানগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাস মালিকদের সঙ্গে বসে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তায় ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সেসব স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে, ইউনিফর্মে, প্যাট্রল, মোবাইল- সবভাবেই অবস্থান করবে পুলিশ। বাসে অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে বাস মালিক ও যাত্রীদের সহায়তা চেয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, যারা পরিবহণ সেক্টরে আছেন, তাদের বলা হয়েছে যতটা সম্ভব নিজস্ব লোক যেন গাড়িতে রাখেন। আমাদের পক্ষ থেকে গাড়ির ভেতর ছবি তোলা থেকে শুরু করে যা যা করা দরকার, আমরা সেগুলো করব।