ঢাকা শুক্রবার, ২রা জানুয়ারী ২০২৬, ২০শে পৌষ ১৪৩২


স্বস্তি ফেরেনি মাছে, নাগালে সাবজি-ডিম


২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩:৪৭

সংগৃহীত

বছরের প্রথম শুক্রবারে কি স্বস্তিতে মাছ কেনা যাচ্ছে? এমন প্রশ্নের উত্তর হবে, আপাতত না। কেননা, দুই সপ্তাহ ধরেই চড়া সব রকম মাছের দর। সে পারদ যেন আরও চড়েছে। চাষের রুই, কাতল কিংবা পাঙ্গাস কিনতে গেলেও নিস্তার নেই। ব্যবসায়ীদের যুক্তি, কুয়াশার কারনে আহরণ কমে গেছে। এদিকে, ছেড়ে কথা বলছে না দেশি মুরগি। তবে, মধ্যবিত্তের নাগালে আছে ব্রয়লার আর ডিম।

 

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন তথ্য।

 

নতুন বছরের প্রথম শুক্রবার বা ছুটির দিনে সর্বসাধারণের চাওয়া থাকে-আর কিছু না হোক বাজার যেন কিছুটা স্বস্তির খবর দেয়। তীব্র শীতের মাঝেও ছুটির দিনে সেই স্বস্তির খোঁজেই নগরবাসী। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ হলো কি?

 

মাছের বাজারে গিয়ে কিছুটা নিরাশই হতে হচ্ছে মাছপ্রিয় বাঙালির। ক'দিন আগে কমলেও, নতুন বছরে আবার চড়া দর। রুই-কাতলের কেজি কিনতে গুণতে হচ্ছে ৪৫০ টাকা। নদীর আইড় থেকে শুরু করে সবজাতেরই দাম শুনে পিলে চমকে উঠার জোগার। শীত বাড়ায় মাছ ধরা পড়ছে কম তাই জোগানের অভাবে দাম বাড়তি বলছেন বিক্রেতাদের।

 

দেশি মুরগিও জাত চেনাতে ভুলছে না। কেজি চাওয়া হচ্ছে ৫৮০ টাকা। সোনালি জাত কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ৩০০ টাকার মতো। যদিও ব্রয়লার মিলছে ১৭০ টাকাতেই। তবে, দেশি জাতের হাস দিয়ে শীতোৎসব করতে চাইলে পকেট থেকে বেরিয়ে যাবে ৭০০ টাকার মতো।

 

তবে ডিমের বাজারে বেশ স্বস্তি মিলছে। লাল ডিমের ডজন বিকোচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। দেশি মুরগি-হাঁসের ডিমের ডজন ২শ' টাকা।

 

মধ্যবিত্ত আর সীমিত আয়ের মানুষের বরাবরই প্রত্যাশা থাকে, দাম কিছুটা তাদের নাগালে থাকবে। সামনে রমজান তাই এখন থেকে বাজার তদারকি জোরদারের তাগিদ সকলের।

 

তবে সবজির বাজে দেখা গেছে ভিন্নতা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, মুলা, টমেটো, পালংশাক, লালশাকসহ প্রায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি সহজলভ্য। বেশির ভাগ সবজির কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। কিছু শাকসবজি তো আরও কম দামে মিলছে, যা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।