ঢাকা বুধবার, ১৭ই জুলাই ২০১৯, ৩রা শ্রাবণ ১৪২৬


ছুঁটি শেষে প্রথম কর্ম দিবসে গ্রাহক শুন্য ব্যাংক


৯ জুন ২০১৯ ১৯:৪৪

আপডেট:
১৭ জুলাই ২০১৯ ১৫:১২

ফাইল ছবি

পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা পাঁচদিনের ছুঁটি শেষে আজ রোববার খুলেছে বিভিন্ন সরকারী অফিস-আদালত, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ার কল-কারখানাগুলোতে এখনো ছুঁটি শেষ না হওয়ায় ঈদের আমেজ কাটেনি এখানকার ব্যাংকগুলোতে।

বেসরকারী ব্যাংকগুলোতে গ্রাহক-কর্মকর্তাদের উপস্থিতি কম হলেও সরকারী ব্যাংক গুলোতে কিছুটা ভীড় লক্ষ্য করা গেছে সঞ্চয়পত্রের উপকারভোগীদের।

সরেজমিনে সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন ব্যাংক ঘুরে দেখা যায়, বেসরকারী ব্যাংক গুলোতে অলস সময় পার করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। দীর্ঘক্ষণ পর পর দু-একজন করে গ্রাহক আসছেন এবং প্রয়োজনীয় কাজ সেরে চলে যাচ্ছেন। কোথাও কোন গ্রাহকের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েনি। তবে সাভার থানা রোডে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকে গিয়ে সঞ্চয়পত্রের উপকারভোগীদের কিছুটা ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এখানে সাধারণ ব্যাংকিংয়ের জন্য গ্রাহকদের তেমন কোনো ভিড় নেই।

ব্যাংকে আসা গ্রাহক হাজী তৈয়ব আলী মোল্লা বলেন, টানা পাঁচদিন ছুঁটির পর রোববার ব্যাংক খুলেছে। প্রথম দিনে ব্যাংকে গ্রাহকের ভীর কম হওয়ায় অনেক স্বস্তিতে এবং দ্রুত সময়ে বিদ্যুৎ বিল দিতে পেরেছি। অপর গ্রাহক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত কয়েকদিনে বেঁচাকেনা করার টাকা সকাল সকাল ব্যাংকে জমা দিতে এসেছি। তবে ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনও ছুঁটি কাটিয়ে ফেরেনি এবং গ্রাহক সংখ্যাও কম হওয়ায় দ্রুত টাকা জমা দিয়ে ফিরে যাচ্ছি।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, টানা ছুঁটির কারণে মাস শেষ হয়ে গেলেও সঞ্চয়পত্রের সুদের টাকা তুলতে পারিনি। ঈদের পরে রবিবার প্রথম ব্যাংক খোলায় আগেভাগেই মুনাফার টাকা তুলতে এসেছি। আশুলিয়ায় মিডল্যান্ড ব্যাংকের জিরাবো শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার অসীম চন্দ্র কুমার বলেন, ঈদ পরবর্তী প্রথম দিন হওয়ায় গ্রাহকের উপস্থিতি কম ও অল্প সংখ্যক লেনদেন হচ্ছে। তবে আমাদের নিয়মিত গ্রাহকরা সকাল থেকেই স্বল্প পরিসরে লেনদেন শুরু করেছেন।

ঈদের ছুঁটি কাটিয়ে গ্রাম থেকে ফিরলেই আবারও জমজমাট হবে ব্যাংকিং কার্যক্রম। একই কথা বলেছেন এনআরবিসি ব্যাংক জিরাবো শাখার মহাব্যবস্থাপক শামীম আহাম্মেদ। তিনি বলেন, এখনও শিল্প এলাকার কারখানাগুলো ঈদের বন্ধ থাকায় তাদের লেনদেন কার্যক্রম শুরু হয়নি। এছাড়া ব্যাংকের প্রথম কার্যদিবস হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকের সংখ্যাও কম। শুধু প্রয়োজনীয় কাজেই কিছু গ্রাহক সামান্য পরিমানে লেনদেন করছে।

কিন্তু পর্যায়ক্রমে লেনদেন বাড়বে এবং আগামী সপ্তাহ থেকে আবারও জমে উঠবে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম। উল্লেখ্য, ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে গত ৪ জুন (মঙ্গলবার) থেকে ৬ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। এর সাথে যোগ হয়েছে সরকারি ছুঁটি শুক্র ও শনিবার। সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোতে ছুঁটি ছিল একটানা পাঁচদিন।’

নতুনসময়/আল-এম