ঢাকা বুধবার, ২৩শে অক্টোবর ২০১৯, ৮ই কার্তিক ১৪২৬

এনায়েতপুরে যমুনা তীর সংরক্ষণ কাজের ৩০ মিটার ধ্বস


১১ জুলাই ২০১৯ ২৩:১১

আপডেট:
২৩ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:১০

এনায়েতপুরে যমুনা তীর সংরক্ষণ কাজের ৩০ মিটার ধ্বস

প্রবল স্রোত ও ঘূর্নাবর্তে স্কাউরিংয়ের ফলে নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে তাঁত শিল্প সৃমদ্ধ এনায়েতপুরে যমুনা তীর সংরক্ষণে জরুরী কাজ সংলগ্ন ৩০ মিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

বুধবারে ব্রাহ্মনগ্রাম তাঁরা মসজিদের পাশে এ ধস নামে। ধসের কারনে এলাকাবাসি আতঙ্ক ও হুমকির মধ্যে পড়ে ঘর-বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

পাউবো ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চিকিৎসা, শিক্ষা ও তাঁত শিল্প নগরী এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মনগ্রামে যমুনার ভাঙন রোধে সম্প্রতি ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যায়ে জরুরী ভিত্তিতে ৫’শত মিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণে কাজ করা হয়েছে।

এছাড়া কাজ সংলগ্ন উত্তরে তাঁরা মসজিদ এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে জরুরী ভিত্তিতে আরও ৫হাজার জিও ব্যাগ ফেলানো হয়েছিল। আর সেখানেই আকস্মিক ভাবে ভাঙন দেখা যায়। এতে এলাকায় এলাকাবাসির মধ্যে চরম ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

মসজিদটি বর্তমানে যে কোন সময় যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এদিকে সংরক্ষণ কাজের দক্ষিণে আড়কান্দি চর এলাকায় গত তিন দিনে প্রায় ১৫টি বসত ভিটা নদীতে চলে গেছে। দ্রুত সেখানে জিও ব্যাগ ফেলা না হলে বিলীন হবে বিস্তৃন্ন এলাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ আড়কান্দি এলাকায় ভাঙন রোধে কোন কাজ করা হয়নি। এছাড়া খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের দক্ষিণে ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে পাচিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চলছে নদী ভাঙন। এ কারনে ৮০০ শয্যার খাজা ইউনুস আলী মেডিকলে কলেজ এন্ড হাসপতাল,
দেশের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাট, এনায়েতপুর-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বহু তাঁত কারখানা এবং অসংখ্য ঘর-বাড়ি ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে।

এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ পাউবো’র এসও মাসুদুল হক জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মনগ্রাম এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া আড়কান্দি চর এলাকার ভাঙন ঠেকাতে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে উর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।