বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে বিএনপি, আসন সমঝোতায় টানাপোড়েন কাটেনি জামায়াত জোটে
বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে বিএনপি, আসন সমঝোতায় টানাপোড়েন কাটেনি জামায়াত জোটে
পাবনার দুইটি আসন বাদ দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৮টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয় গত বুধবার। এসব আসনে নির্বাচনে লড়ছেন ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী। যার মধ্যে ৫১টি রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৭৩২ জন; বাকি ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
৫১টি রাজনৈতিক দলের ২৯টিই বিএনপির যুগপৎ আন্দোলের শরিক। আসন সমঝোতা করে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিল এই জোট। সে হিসাবে শরিকদের ১৭টি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। যার মধ্যে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন ৫ জন।
তবে ২৯৮ আসনে এই জোটের প্রার্থী প্রায় সাড়ে ৪শ'। বেশিরভাগ আসনে ভোটের মাঠে আছেন জোটের একাধিক প্রার্থী।
জোটের অন্য দলগুলোর প্রার্থী নিয়ে মাথা-ব্যাথা না থাকলেও নিজেদের বিদ্রোহী অর্থাৎ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে বিপাকে বিএনপি। ৩০টির বেশি আসনে আছেন এমন প্রার্থী। শরীকদের ৪টি আসনেও আছে বিএনপির স্বতন্ত্ররা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ জোট শরিক নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, তারেক রহমান আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন, যারা বিএনপি বলে পরিচয় দেন সবাই ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কার পক্ষে কাজ করবেন।
ভোটের মাঠে নামার আগে ১০ দলীয় জোটের জন্য বড় ধাক্কা ছিল ইসলামী আন্দোলনের বেরিয়ে যাওয়া। যার মূল কারণ আসন সমঝোতা না হওয়ায়। ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে গেলও অন্তত ১৩টি আসনে সুরাহা করতে পারেনি জামায়াত জোট। ৬ আসন উন্মুক্ত রাখার কথা বলা হলেও ২৯৮ আসনে জোটের প্রার্থী ৩১৩ জন। এনসিপিকে ছেড়ে দেয়া ৭ আসনে আছে জোটের অন্য দলের প্রার্থীও।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বেরিয়ে এককভাগে নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন। ২৫৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে দলটি।
এছাড়া, এককভাবে ১৯২ আসনে নির্বাচন করছে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কা।
