ঢাকা সোমবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯ই আশ্বিন ১৪২৬


‘সকালে বুকিং দিলে বিকেলে ফ্ল্যাটের চাবি’


৮ নভেম্বর ২০১৮ ১৩:৩৫

আপডেট:
৮ নভেম্বর ২০১৮ ১৩:৫৫

‘সকালে বুকিং দিলে বিকেলে ফ্ল্যাটের চাবি’ স্লোগানে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে ফ্ল্যাট বিক্রির সহজ প্রক্রিয়া নিয়ে এসেছে নিটল আয়াত প্রপার্টিজ। এ ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দেয়ার পরই ফ্ল্যাটের চাবি বুঝে নিতে পারবেন ক্রেতারা। বাকি টাকা ২০ বছরের কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবে ক্রেতারা। আর ব্যাংক থেকে ঋণের ব্যবস্থাও এই প্রপার্টিজটিই করে দেবে।

রিহ্যাবে প্রচুর ফ্ল্যাট রয়েছে যা বিক্রির প্রক্রিয়ার কারণে সহজে বিক্রি করতে পারছে না। কিন্তু নিটল আয়াত সহজ পদ্ধতিতে আবাসন নিশ্চিত করে বিধায় তারা প্রচুর গ্রাহক পাচ্ছে। তাই নিটল আয়াতের সঙ্গে একত্রিত হয়ে সহজ উপায়ে ঢাকা নগরবাসীর কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে নিটল আয়াত প্রপার্টিজ লিমিটেডের অফিসে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

রিহ্যাবের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিন। অপরদিকে নিটল আয়াত প্রপার্টিজের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মারিব আহমাদ (নিলয়)। এ সময় নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল মাতলুব আহমাদ এবং রিহ্যাবের সহ-সভাপতি (প্রথম) লিয়াকত আলী ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, দেশে অনেক দম্পতি আছেন যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ফ্ল্যাট কিনতে পারছে না। আমরা ২০ বছরের সহজ কিস্তিতে ফ্ল্যাট দিচ্ছি। যে কারণে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ফ্ল্যাট কিনে আবাসন নিশ্চিত করতে পারছে। একবারে সব টাকা দিতে হয় না বিধায় তাদের ওপর আর্থিক চাপ পড়ে না।

নিটল আয়াতের ‘কোন ম্যাজিক’ দেখে রিহ্যাব আপনাদের কাছে সমঝোতাস্মারক চুক্তি করতে আগ্রহী হয়েছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাতলুব আহমেদ বলেন, আসলে ম্যাজিক বলে কোন কথা নাই। আমরা বাস্তবতায় বিশ্বাসী। আসলে আমরা যে পদ্ধতিতে গ্রাহকদের ফ্ল্যাটের চাবি দিচ্ছি, এটা একটা সহজ প্রক্রিয়া। সকালে ফ্ল্যাট পছন্দ করে বিকেলে চাবি পেয়ে যাচ্ছে তারা। রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি সুবিধা। যা নবদম্পত্তিদের ওপর বাড়তি একটা চাপ ফেলে না। এমন প্রক্রিয়ার কারণেই রিহ্যাব আমাদের সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী হয়েছে।

এমএ